মঙ্গলবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
 মঙ্গলবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

"মুন্সীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: রণক্ষেত্রে পরিণত এলাকা, আহত একাধিক"

আইকন
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
"মুন্সীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: রণক্ষেত্রে পরিণত এলাকা, আহত একাধিক"

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ জন টেটাবিদ্ধ হয়েছে।


বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের পূর্ব চান্দেরচর গাজী মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


আহতরা হলেন—ইমরান (২৮), লিটন (৪৮), সোহাগ (৩৫) ও রিয়াজুল (২০)। তারা যথাক্রমে সোহেল, হাবি, মান্নান ও কালাইয়ের ছেলে। এছাড়া আরও ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।


গুরুতর আহত রিয়াজুল ও ইমরানকে প্রথমে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিটফোর্ড) নেওয়া হয়। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।


স্থানীয়দের ভাষ্য, পূর্ব চান্দেরচর গ্রামের কালাইচান মাদবর ও জহিরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।


নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই বিরোধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করে। বুধবার দুপুরে জহির গ্রুপের সদস্য সোহাগ গাজী মার্কেট এলাকায় পাইপ ফিল্টারের কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষের কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র, টেটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।


অভিযুক্তদের মধ্যে সমুর ছেলে হাবি, জহিরুদ্দিন, সেলিম, হাবির ছেলে রিফাত সাওন, সিরাজুলের ছেলে সুজন, কালাইচানের ছেলে ইমন, নয়ন, নিজামুদ্দিনের ছেলে আমজাদ ও ছলমুদ্দিনের ছেলে মারুফসহ আরও কয়েকজনের নাম জানা গেছে।


পরে সোহাগকে উদ্ধার করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে। এতে টেটাবিদ্ধসহ আরও কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হান্নান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।