শুক্রবার , ০৭ আগস্ট ২০২৬
 শুক্রবার , ০৭ আগস্ট ২০২৬

ভারতীয় শিশুকে উদ্ধার,পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিলো আরএমপি বোয়ালিয়া থানার পুলিশ

আইকন
নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
ভারতীয় শিশুকে উদ্ধার,পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিলো আরএমপি বোয়ালিয়া থানার পুলিশ

রাজশাহী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশ অনুপ্রবেশ করা ভারতীয় শিশু মোঃ রাহিম শেখ (১২)কে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ রবিউল ইসলামের উদ্যোগে আইনি প্রক্রিয়া করে আদালতের নির্দেশে মেনে ফেরত দেওয়া হয়েছে। 


বুধবার (০৮ এপ্রিল) বিকাল ৪ টায় রাজশাহী জেলার পবার হারুডাঙ্গা ক্যামের চর মাঝারদিয়ার এলাকায় বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের এসআই মাসুদ কবিরের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম শিশুকে নিয়ে যায়। 


পরে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)সাথে দীর্ঘ এক ঘন্টা এসআই মাসুদ কবির নেতৃত্বে, এএসআই শাহানাজ বিপ্লব ও নয়ন সরকার হারুডাঙ্গা ক্যাম কমান্ডার মাহবুব সঙ্গে আলোচনা করে দুই দেশের শূন্য রেখায় পতাকা বৈঠক মাধ্যমে শিশুকে হস্তান্তর করেছে।


পুলিশ সূত্রে জানা যায় ভারতীয় শিশু মোঃ রাহিম ইসলাম ভারতের মুর্শিদাবাদের ইসলামপুর জেলার গোপালপুর এলাকার মোঃ শফিকুল ইসলামের ছেলে।


গত বুধবার (০১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১২ টায় নগরীর পঞ্চপটি এলাকায় শেখেরচক মাদ্রাসা মাঠ এলাকায়  

ভারতীয় শিশুকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে দ্রুত উদ্ধার করে। নুরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। শিশুটি নগরীর তালাইমারী সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন রাহিম। 


এলাকাবাসী বলেন,স্থানীয় জনগণ ওসির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ পুলিশের পেশাদারিত্ব,মানবিক মূল্যবোধ ও সহযোগিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ওসি মো: রবিউল ইসলাম। 


অপরাধ দমনে ওসি রবিউল ইসলামের এই ভূমিকা আরএমপির অন্যান্য থানায়ও অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে মনে করছেন অনেকে। এলাকার সুশীল সমাজ মনে করছে, এমন নিষ্ঠাবান ও জনদরদী কর্মকর্তাদের কারণেই পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হচ্ছে


বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন,শিশুকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত কমিশনার ড মোঃ জিললুর রহমান স্যারের নির্দেশে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আজ আদালতের নির্দোষ মেনে ভারতীয় শিশুকে বিজিবির মাধ্যমে পতাকা বৈঠক করে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভুলবশত সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিলেন ওই ভারতীয় শিশু।


তিনি আরো বলেন, “পুলিশ জনগণের বন্ধু—এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে আমরা কাজ করছি। বোয়ালিয়া এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঠিক নির্দেশনা, সহকর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং সর্বোপরি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাতেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। অপরাধ দমনে আমাদের এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।